افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم.
#66536[সহীহ]
HadeethEnc · 1.56.0

প্রত্যেক নেশাজাতীয় বস্তু হারাম।

Available translations

Choose an available translation of this Hadeeth

01

Hadeeth text

আবূ বুরদাহ তার পিতা আবূ মূসা আল-আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে (অর্থাৎ, আবু মূসা আশ'আরীকে) ইয়ামানে পাঠিয়েছিলেন। তিনি রাসূলকে এমন কিছু পানীয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন যেগুলো সেখানে তৈরি করা হতো। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: ‘সেগুলো কী?’ তিনি বললেন: ‘বিত্‘ (البِتْعُ) এবং (المِزْرُ) মিযর।’ তখন আবু বুরদাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: ‘বিত্‘ (البِتْعُ) কী?’ তিনি বললেন: ‘এটি মধুর নাবীয।’ আর ‘মিযর’ (المِزْرُ) হলো: ‘জবের (শস্য) নাবীয।’ তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “প্রত্যেক নেশাজাতীয় বস্তু হারাম”। সহীহ বুখারী। ইমাম মুসলিমও এটি বর্ণনা করেছেন এবং তার শব্দ হলো: আবূ মূসা বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে এবং মুআযকে ইয়ামানে প্রেরণ করেছিলেন। আমি বললাম: ‘হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের দেশে এমন কিছু পানীয় তৈরি হয়, যার নাম মিযর, যা জবের থেকে তৈরি, আর এমন আরেকটি পানীয় আছে যার নাম বিত‘, যা মধু থেকে তৈরি।’ তখন তিনি বললেন: “প্রত্যেক নেশাজাতীয় বস্তু হারাম”। “মুসলিমের অন্য এক বর্ণনা অনুযায়ী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “যে কোনো বস্তু যা সালাত থেকে নেশার কারণে বাধা দেয়, সেটি হারাম”। তারই আরেকটি বর্ণনায় বলা হয়েছে, আবূ মূসা বলেন, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যিনি সংক্ষেপে পুরো অর্থপূর্ণ কথাগুলো বলতে পারতেন, বলেছেন: প্রত্যেক নেশাযুক্ত জিনিস যা সালাত হতে গাফিল করে তা (পান করতে) বারণ করছি”।
02

Explanation

আবু মূসা আশ'আরী রাদিয়াল্লাহু আনহু জানিয়েছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে ইয়ামানে পাঠিয়েছিলেন। সে এমন কিছু পানীয় সম্পর্কে নবীকে জিজ্ঞাসা করেছিল যা সেখানে তৈরি হত: তা কি হারাম? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন সেই পানীয়গুলো সম্পর্কে জানতে চাইলেন। অতঃপর আবু মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: বিত‘ হলো মধুর নাবীয, আর মিযর হলো যবের নাবীয। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যিনি সংক্ষিপ্তভাবে বহু অর্থবোধক বাক্য বলতে পারতেন, বললেন: “প্রত্যেক নেশাজাতীয় বস্তু হারাম”।
03

Benefits

নবীয হলো এমন পানি যাতে খেজুর, মধু, যব (শস্য) বা এর মতো অন্য কোনো জিনিস ডুবিয়ে রাখা হয়; যার ফলে পানি মিষ্টি স্বাদ পায় এবং পরবর্তীতে তা মদ হয়ে নেশাজাতীয় বস্তুতে রূপান্তরিত হতে পারে।
এই হাদীসটি সব ধরনের নেশাজাতীয় বস্তু যেমন মদ, গাঁজা (হাশিশ) ইত্যাদি হারামের উপর একটি মূল নীতি।
একজন মুসলিমের যা প্রয়োজন, তা সম্পর্কে প্রশ্ন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমবার মদ হারাম করা হয়েছিল সালাত আদায়ের সময়। কারণ, একবার এক মুহাজির সাহাবি সালাতে দাঁড়িয়ে কুরআন তিলাওয়াত করছিলেন, কিন্তু তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন, ফলে তিলাওয়াতে গণ্ডগোল করে ফেলেন। তখন আল্লাহ তাআলা এই আয়াত নাজিল করেন: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَقْرَبُوا الصَّلَاةَ وَأَنْتُمْ سُكَارَى حَتَّى تَعْلَمُوا مَا تَقُولُونَ} [النساء: 43] “হে ঈমানদাররা! তোমরা সালাতের ধারে-কাছে যেও না, যখন তোমরা নেশাগ্রস্ত, যতক্ষণ না বুঝতে পারো যা কিছু তোমরা বলছো।” [সূরা নিসা:৪৩] এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘোষক ঘোষণা দিতে থাকেন: ‘নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি যেন সালাতের ধারে-কাছে না আসে।’ এরপর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা মদকে সম্পূর্ণরূপে হারাম করে দেন এই আয়াতের মাধ্যমে: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنْصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ 90 إِنَّمَا يُرِيدُ الشَّيْطَانُ أَنْ يُوقِعَ بَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاءَ فِي الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ وَيَصُدَّكُمْ عَنْ ذِكْرِ اللَّهِ وَعَنِ الصَّلَاةِ فَهَلْ أَنْتُمْ مُنْتَهُونَ} [المائدة: 90، 91] “হে ঈমানদারগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, প্রতিমা ও ভাগ্য নির্ধারণের তীর — এসব শয়তানের অপবিত্র কাজ; অতএব এসব থেকে বিরত থাকো, যাতে তোমরা সফল হতে পারো। শয়তান তো চায় মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মাঝে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও সালাত থেকে তোমাদের বিরত রাখতে। তবে কি তোমরা বিরত হবে?” [সূরা মায়েদা:৯০,৯১]
আল্লাহ তা‘আলা মদকে হারাম করেছেন; কেননা এতে ব্যাপক ক্ষতি এবং ধংসাত্মক বিষয় রয়েছে।
হারামের হুকুম দেওয়ার মূল কারণ হলো — নেশা সৃষ্টি করার উপাদান থাকা। যদি কোনো নবীয নেশা সৃষ্টি করে, তাহলে তা হারাম। আর যদি নেশার গুণ না থাকে, তবে তা বৈধ।

Attribution

[ইমাম বুখারী ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন]

Categories

Share

Share hadeeth

Sharing options · 0 Total shares

Share

← Back to encyclopedia
Shopping Basket

Loading...