HadeethEnc · 1.56.0
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা কতিপয় বিষয় ফরয করেছেন। তোমরা সেটাকে বিনষ্ট কর না, এবং কতক সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, তোমরা সেটা লঙ্ঘন কর না এবং কতক বস্তু হারাম করেছেন তোমরা তাতে লিপ্ত হয়ো না, এবং তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করে কিছু বস্তু হতে ইচ্ছাকৃত চুপ থেকেছেন, তোমরা তা অনুসন্ধান কর না”।
Available translations
Choose an available translation of this Hadeeth
01
Hadeeth text
আবু সা‘লাবাহ আল-খুশানী জুরসুম ইবনু নাশির রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা কতিপয় বিষয় ফরয করেছেন। তোমরা সেটাকে বিনষ্ট কর না, এবং কতক সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, তোমরা সেটা লঙ্ঘন কর না এবং কতক বস্তু হারাম করেছেন তোমরা তাতে লিপ্ত হয়ো না, এবং তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করে কিছু বস্তু হতে ইচ্ছাকৃত চুপ থেকেছেন, তোমরা তা অনুসন্ধান কর না”।
02
Explanation
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ কিছু জিনিসকে ফরয এবং কর্তব্য হিসেবে নির্ধারণ করেছেন, তোমরা সেগুলোকে অবশ্যই মেনে চলবে। সেগুলো পরিত্যাগ করে বা শিথিলতা প্রদর্শন করে তাতে কোন প্রকার অবহেলা করবে না। তিনি তোমাদের জন্য এমন বাধা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন যা তোমাদেরকে এমন কাজ থেকে বিরত রাখবে যা তিনি পছন্দ করেন না, তাই শরীয়ত যা আদেশ করেছে তার উপর কোন কিছু বৃদ্ধি করো না। আর কিছু জিনিস হারাম করেছে, সেগুলোতে লিপ্ত হয়ো না বা সেগুলোর কাছে যেয়ো না। এগুলো ছাড়া তাঁর বান্দাদের প্রতি করুণা বশত যা ছেড়ে দিয়েছেন এবং যার সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন, সেগুলো তাদের আসল অবস্থায়ই জায়েয থাকবে, সেগুলো সন্ধান করো না।
03
Benefits
হাদীসটি প্রমাণ করে যে আল্লাহ-ই হলেন আইন প্রণেতা, শরীয়াতের প্রবর্তক কাজেই সকল বিষয় তাঁর হাতে, তিনি পবিত্র।
আদেশ ও বৈধতার ভিত্তিতে হাদীসটি ইসলামী শরীয়তের নীতিমালার অন্তর্ভুক্ত। কারণ শরীয়তের হুকুম হয় বর্ণনা না করে চুপ থাকা অথবা বর্ণনা করা। আর তা হয়ত ওয়াজিব বা মুস্তাহাব হিসেবে আদেশ কৃত, অথবা হারাম বা মাকরূহ বা বৈধ হিসেবে নিষিদ্ধ।
আল্লাহ যার সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন, ফলে তা ফরয, সীমাবদ্ধ বা নিষিদ্ধ করেননি তা জায়েয।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লামের বয়ানের সৌন্দর্য, তিনি হাদীসটিকে সুস্পষ্ট প্রকার বর্ণনার মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন।
আল্লাহর ফরযসমূহ রক্ষা করা ওয়াজিব।
আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন করা হারাম।
আদেশ ও বৈধতার ভিত্তিতে হাদীসটি ইসলামী শরীয়তের নীতিমালার অন্তর্ভুক্ত। কারণ শরীয়তের হুকুম হয় বর্ণনা না করে চুপ থাকা অথবা বর্ণনা করা। আর তা হয়ত ওয়াজিব বা মুস্তাহাব হিসেবে আদেশ কৃত, অথবা হারাম বা মাকরূহ বা বৈধ হিসেবে নিষিদ্ধ।
আল্লাহ যার সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন, ফলে তা ফরয, সীমাবদ্ধ বা নিষিদ্ধ করেননি তা জায়েয।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লামের বয়ানের সৌন্দর্য, তিনি হাদীসটিকে সুস্পষ্ট প্রকার বর্ণনার মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন।
আল্লাহর ফরযসমূহ রক্ষা করা ওয়াজিব।
আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন করা হারাম।
Attribution
[এটি দারাকুতনী তার সুনানে এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন।]
Categories
Share
Share hadeeth
Sharing options · 0 Total shares

