افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم. افتتاح البرنامج الدعوي السبت القادم، ٩ / ٣ / ١٤٤٨هـ بعد صلاة الفجر مباشرة مسجد محمد بن إبراهيم، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة فضيلة الشيخ د. هيثم بن محمد سرحان دورة اليوم الواحد، وختم كتاب كل سبت بإذن الله حياكم الله ونفع بكم.
#66234[সহীহ]
HadeethEnc · 1.56.0

“সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা এমন একদিন (কিয়ামতের দিন) তাঁর ছায়াতলে আশ্রয় দিবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া অবশিষ্ট থাকবে না।

Available translations

Choose an available translation of this Hadeeth

01

Hadeeth text

আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা এমন একদিন (কিয়ামতের দিন) তাঁর ছায়াতলে আশ্রয় দিবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া অবশিষ্ট থাকবে না।
(১) ন্যায়পরায়ণ ইমাম (জনগণের নেতা),
(২) ঐ যুবক, যে আল্লাহ তা‘আলার ইবাদতে মশগুল থেকে বড় হয়েছে,
(৩) সে ব্যক্তি, যার অন্তর মসজিদের সাথে লেগে রয়েছে (অর্থাৎ জামা’আতের সাথে সালাত আদায়ে যত্নবান),
(৪) সে দু’ব্যক্তি, যারা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে একে অপরকে ভালোবাসে ও পরস্পর মিলিত হয় এবং এ জন্যই (পরস্পর) বিচ্ছিন্ন হয়,
(৫) যে ব্যক্তিকে কোন অভিজাত এবং সুন্দরী রমণী (ব্যভিচারের জন্য) আহ্বান জানায় আর তার জবাবে সে বলে, আমি আল্লাহকে ভয় করি,
(৬) যে ব্যক্তি এতটা গোপনে দান করে যে, তার ডান হাত কী দান করে তা তার বাম হাত টের পায় না এবং
(৭) যে ব্যক্তি একাকী বসে আল্লাহকে স্মরণ করে আর তার চোখ দু’টো (আল্লাহর ভয় বা ভালোবাসায়) অশ্রুপাত করে।”
02

Explanation

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাত প্রকার মুমিনকে সুসংবাদ দিয়েছেন, যাদেরকে আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তাঁর আরশের ছায়ায় আশ্রয় দেবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না। এই সাত প্রকার মুমিন হলেন: প্রথম: ন্যায়পরায়ণ শাসক। তিনি নিজে ন্যায়নিষ্ঠ ও পবিত্র চরিত্রের অধিকারী, ফাসেক নন। তিনি তার প্রজাদের মধ্যে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাদের প্রতি জুলুম করেন না। তিনি সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী, অর্থাৎ তিনি হলেন প্রধান শাসক বা ইমাম। এছাড়াও, মুসলিমদের যেকোনো বিষয়ের দায়িত্বে নিযুক্ত ব্যক্তিও যদি ন্যায় ও ইনসাফের সাথে দায়িত্ব পালন করেন, তবে তিনি এই গুণের অধিকারী হবেন। দ্বিতীয়: সে যুবক যে আল্লাহর ইবাদতে লালিত-পালিত হয় এবং তার যৌবন ও শক্তিকে আল্লাহর পথে ব্যয় করে, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত সে এই পথে অবিচল থাকে। তৃতীয়: সে ব্যক্তি যার হৃদয় মসজিদের সাথে লেগে থাকে। এই ব্যক্তি মসজিদ থেকে বের হলেও তার হৃদয় সবসময় মসজিদের দিকে ঝুঁকে থাকে। মসজিদের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা এবং এর সাথে নিয়মিত সম্পর্ক বজায় রাখার কারণে তার মন সর্বদা মসজিদের দিকে নিবদ্ধ থাকে। শারীরিকভাবে মসজিদের বাইরে থাকলেও তার হৃদয় ও চিন্তা মসজিদের মধ্যে নিমগ্ন থাকে। চতুর্থ: সে দুজন ব্যক্তি যারা একে অপরকে শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য ভালোবাসে এবং এই ভালোবাসা দ্বীনের ভিত্তিতে অব্যাহত রাখে। তারা পার্থিব কোনো কারণে এই ভালোবাসা ছিন্ন করে না, বরং তাদের মধ্যে এই ভালোবাসা মৃত্যু পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। তারা বাস্তবে একত্রিত হোক বা না হোক, তাদের হৃদয় সবসময় আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে। পঞ্চম: এমন একজন ব্যক্তি যাকে একজন নারী নিজের দিকে আহ্বান করেছে অশ্লীল কাজ করার জন্য, এবং সেই নারী মর্যাদা, সম্মান, বংশগত গৌরব, প্রভাব, সম্পদ ও সৌন্দর্যের অধিকারী। কিন্তু সে ব্যক্তি তা প্রত্যাখ্যান করে এবং বলে: "আমি আল্লাহকে ভয় করি।" ষষ্ঠ: এমন একজন ব্যক্তি যে সামান্য বা বেশি পরিমাণে সদকা করেছে, কিন্তু লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে তা করেনি। বরং সে তা গোপনে দিয়েছে, এমনকি তার বাম হাতও জানে না তার ডান হাত কী দান করেছে। সপ্তম: এমন একজন ব্যক্তি যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে, হয় অন্তরে স্মরণ করে অথবা জিহ্বা দ্বারা জিকির করে, এবং আল্লাহর ভয়ে ও তাঁর মহিমার সম্মানে তার চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত হয়।
03

Benefits

উল্লিখিত সাত প্রকার ব্যক্তির মর্যাদা এবং তাদের অনুসরণ করার প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে।
ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) "في ظله" (তাঁর ছায়ায়) বলতে কী বোঝানো হয়েছে তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছেন: এখানে "তাঁর ছায়া" বলতে আল্লাহর আরশের ছায়াকে বোঝানো হয়েছে। এটি সাঈদ ইবনে মানসুরের বর্ণনায় সালমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এর একটি হাদীস দ্বারা সমর্থিত, যেখানে বলা হয়েছে: "সাত ধরনের মানুষকে আল্লাহ তাঁর আরশের ছায়ায় আশ্রয় দেবেন।" এই হাদীসের সনদ হাসান পর্যায়ের।
ইবনে হাজার আরও বলেছেন: ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তির সর্বোত্তম ব্যাখ্যা হলো, সে ব্যক্তি যিনি আল্লাহর নির্দেশ অনুসরণ করে প্রতিটি জিনিসকে তার যথাযথ স্থানে রাখেন, কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি বা ছাড়াছাড়ি না করে। আর এ ধরণের ব্যাক্তির উপকারিতা ব্যাপক হওয়ার কারণে প্রথমে তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সালাতের পর পরবর্তী সালাতের জন্য প্রতীক্ষার ফযীলত।
নববী (রহ.) বলেছেন: এতে আল্লাহর জন্য ভালোবাসা এবং তাঁর মহান ফযীলতের বর্ণনা রয়েছে।
পদমর্যাদা এবং সৌন্দর্যকে মানুষের তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং এগুলির প্রতি তাদের অত্যন্ত আগ্রহের কারণে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, কারণ এগুলি অর্জন করা কঠিন।
সদকাহ বা দান-খয়রাতের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা উত্তম এবং রিয়া বা প্রদর্শনী থেকে দূরে থাকা সর্বোত্তম। তবে, যদি রিয়া থেকে মুক্ত থাকে এবং অন্যকে দান-খয়রাতে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে বা অন্যরা যেন তার অনুসরণ করে এবং ইসলামের বিধানকে প্রকাশ করার জন্য হয়, তাহলে প্রকাশ্যে সদকাহ বা যাকাত দেওয়া জায়েয।
এই সাত প্রকার মানুষ তাদের এই মহান অনুগ্রহ লাভ করবে আল্লাহর জন্য তাদের একনিষ্ঠতা (ইখলাস) এবং নিজেদের প্রবৃত্তির বিরোধিতা করার কারণে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: "সাত প্রকার মানুষকে আল্লাহ তাঁর আরশের ছায়ায় আশ্রয় দেবেন"—এই হাদিসে উল্লিখিত সাত প্রকার মানুষের সংখ্যা সীমাবদ্ধ করে বোঝানো উদ্দেশ্য নয়। বরং এই হাদিসে উল্লিখিত সাত প্রকার ছাড়াও আরো অনেক ধরনের মানুষ আছেন, যারা তাদের ভালো কাজ ও আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠতার কারণে আল্লাহর আরশের ছায়ায় আশ্রয় পাবেন।
ইবনে হাজার (রহ.) বলেছেন: এই হাদীসে পুরুষদের উল্লেখের কোনো বিশেষ অর্থ নেই; বরং নারীরাও উল্লিখিত কাজগুলিতে পুরুষদের সাথে অংশীদার। তবে যদি ন্যায়পরায়ণ ইমাম বলতে সর্বোচ্চ নেতৃত্ব (ইমামাতুল উজমা) বোঝানো হয়, তাহলে তা ব্যতীত। অন্যথায়, নারীরাও এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন, যেমন যখন তিনি সন্তানদের দেখাশোনা করেন এবং তাদের মধ্যে ন্যায়পরায়ণ হন। তবে নারীদের ক্ষেত্রে মসজিদে নিয়মিত উপস্থিতির বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে, কারণ নারীর জন্য ঘরে নামাজ পড়া মসজিদের চেয়ে উত্তম। এছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে নারীরাও অংশীদার। এমনকি যে পুরুষকে কোনো নারী ডাকে, সেটিও নারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, যেমন যদি কোনো সুদর্শন রাজকুমার কোনো নারীকে ডাকে এবং সে আল্লাহকে ভয় করে তার প্রয়োজন সত্ত্বেও তা প্রত্যাখ্যান করে।

Attribution

[সহীহ বুখারী ও মুসলিম]

Categories

Share

Share hadeeth

Sharing options · 0 Total shares

Share

← Back to encyclopedia
Shopping Basket

Loading...