“ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত, তারা তাদের নবীদের সমাধিসমূহকে উপাসনালয়ে পরিণত করেছে।’’
Choose an available translation of this Hadeeth
Hadeeth text
উম্মুল মুমেনিন ’আয়িশাহ্ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা সূত্রে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে অসুস্থতা থেকে আর সুস্থ হয়ে উঠেননি, সে অসুস্থতা অবস্থায় বলেছেন: “ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত, তারা তাদের নবীদের সমাধিসমূহকে উপাসনালয়ে পরিণত করেছে।’’ আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন: এরূপ প্রথা যদি না থাকত তবে তাঁর কবরকেও খোলা রাখা হতো। তবে তিনি আশঙ্কা করছিলেন যে, তার কবরকেও মসজিদ (সিজদার স্থান) বানানো হতে পারে।
Explanation
Benefits
কবরকে মসজিদ বানানো এবং জানাযার নামাজ ছাড়া কবরের কাছে নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে যাওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং হারাম। কারণ, এটি মৃত ব্যক্তিকে অতি সম্মান করা, তার কবর প্রদক্ষিণ করা, তার কোণগুলিতে হাত বুলানো এবং তার নামে ডাকার দিকে নিয়ে যায়। আর এসবই শিরক এবং এর মাধ্যম।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাওহীদের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন এবং কবরগুলোকে অতি সম্মান করার ব্যাপারে সতর্ক থাকতেন; কারণ এটি শিরকের দিকে নিয়ে যায়।
আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর কবরের কাছে শিরক করা থেকে রক্ষা করেছেন। তাই তিনি তাঁর সাহাবাগণ এবং পরবর্তীদেরকে তাঁর কবরকে বিশেষভাবে প্রকাশিত করা থেকে সংরক্ষিত রাখার জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন।
সাহাবীরা রাদিয়াল্লাহু আনহুম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপদেশ অনুযায়ী কাজ করেছিলেন এবং তারা তাওহিদে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন।
ইহুদী ও খ্রিষ্টানদের অনুকরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে, এবং কবরের উপরে নির্মাণ করা তাদের রীতির মধ্যে একটি।
কবরকে মসজিদ বানানো এবং কবরের কাছে বা কবরের দিকে ফিরে নামাজ পড়া, এমনকি যদি সেখানে মসজিদ নির্মাণ না করা হয় তবুও তা নিষিদ্ধ।
Attribution
Categories
Share hadeeth
Sharing options · 0 Total shares

