HadeethEnc · 1.56.0
“কোনো মুসলিম ব্যক্তির রক্ত তিনটি কারণ ছাড়া বৈধ নয়
Available translations
Choose an available translation of this Hadeeth
01
Hadeeth text
ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কোনো মুসলিম ব্যক্তির রক্ত তিনটি কারণ ছাড়া বৈধ নয়: বিবাহিত ব্যভিচারী, জানের বদলে জান, আর নিজের দীন ত্যাগকারী মুসলিম জামা‘আত থেকে পৃথক হয়ে যাওয়া ব্যক্তি”।
02
Explanation
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন যে, মুসলিমের রক্ত হারাম—যতক্ষণ না সে তিনটি বিষয়ের কোনো একটি করে বসে: প্রথমটি: যে ব্যক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত হয়, অথচ সে বৈধভাবে বিবাহ করেছে—তাকে রজম করে হত্যা করা বৈধ। দ্বিতীয়টি: যে ব্যক্তি কোনো নিরাপরাধ প্রাণকে অন্যায়ভাবে ইচ্ছাকৃত হত্যা করে, তাকে শর্তসাপেক্ষে হত্যা করা হবে। তৃতীয়টি: মুসলিমদের জামাআত থেকে বেরিয়ে যাওয়া ব্যক্তি—হোক তা সম্পূর্ণরূপে ইসলাম ত্যাগ করে মুরতাদ হওয়ার মাধ্যমে, অথবা মুরতাদ না হয়ে ইসলামের কিছু অংশ ত্যাগ করে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি, যেমন বিদ্রোহীরা, ডাকাতরা, খারিজিদের মতো সশস্ত্র হামলাকারীরা এবং অনুরূপ অন্যান্য গোষ্ঠী।
03
Benefits
এই তিনটি কাজ করা হারাম এবং যে এর একটি করল সে মৃত্যুদণ্ডের যোগ্য হল: এটি হয় কুফরির কারণে—যেমন ইসলাম ত্যাগ করে মুরতাদ হওয়া—অথবা হদ-শাস্তি হিসেবে, যেমন বিবাহিত ব্যভিচারী এবং ইচ্ছাকৃত খুনী।
সম্মান রক্ষা করা ও তা কলুষমুক্ত রাখা ওয়াজিব।
মুসলিমকে সম্মান করা ওয়াজিব এবং তার রক্ত সুরক্ষিত।
মুসলিমদের জামাআত আঁকড়ে থাকা এবং তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন না হওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উত্তম শিক্ষাদান পদ্ধতি এখানে স্পষ্ট; কারণ তিনি কখনো কখনো নিজের কথাকে ভাগ করে উপস্থাপন করেন। ভাগ করার মাধ্যমে বিষয়গুলো সীমাবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল হয় এবং তা দ্রুত মুখস্থ করতেও সহায়ক।
আল্লাহ অপরাধীদের দমন করতে এবং সমাজকে অপরাধ থেকে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা দিতে শাস্তিগুলো বিধিবদ্ধ করেছেন।
এই হদ-শাস্তিগুলোর বাস্তবায়ন শাসকের বৈশিষ্ট্য।
হত্যার কারণ তিনটির বেশি, তবে তা এই তিনটির বাইরে যায় না। মালিকি আলেম ইবনুল আরাবী বলেন: ‘এগুলো কোনো অবস্থাতেই এই তিনটির বাইরে যায় না; কারণ যে জাদু করল বা আল্লাহর কোনো নবীকে গালি দিল, সে কুফরি করল। অতএব সে স্বীয় ধর্ম ত্যাগকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
সম্মান রক্ষা করা ও তা কলুষমুক্ত রাখা ওয়াজিব।
মুসলিমকে সম্মান করা ওয়াজিব এবং তার রক্ত সুরক্ষিত।
মুসলিমদের জামাআত আঁকড়ে থাকা এবং তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন না হওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উত্তম শিক্ষাদান পদ্ধতি এখানে স্পষ্ট; কারণ তিনি কখনো কখনো নিজের কথাকে ভাগ করে উপস্থাপন করেন। ভাগ করার মাধ্যমে বিষয়গুলো সীমাবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল হয় এবং তা দ্রুত মুখস্থ করতেও সহায়ক।
আল্লাহ অপরাধীদের দমন করতে এবং সমাজকে অপরাধ থেকে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা দিতে শাস্তিগুলো বিধিবদ্ধ করেছেন।
এই হদ-শাস্তিগুলোর বাস্তবায়ন শাসকের বৈশিষ্ট্য।
হত্যার কারণ তিনটির বেশি, তবে তা এই তিনটির বাইরে যায় না। মালিকি আলেম ইবনুল আরাবী বলেন: ‘এগুলো কোনো অবস্থাতেই এই তিনটির বাইরে যায় না; কারণ যে জাদু করল বা আল্লাহর কোনো নবীকে গালি দিল, সে কুফরি করল। অতএব সে স্বীয় ধর্ম ত্যাগকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
Attribution
[সহীহ বুখারী ও মুসলিম]
Categories
Share
Share hadeeth
Sharing options · 0 Total shares

