HadeethEnc · 1.56.0
“যে ব্যক্তি এটা চায় যে, আল্লাহ তাকে কিয়ামত দিবসের দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি দিক সে যেন ঋণগ্রস্ত অক্ষম লোকের সহজ ব্যবস্থা করে কিংবা ঋণ মওকুফ করে দেয়”।
Available translations
Choose an available translation of this Hadeeth
01
Hadeeth text
আবূ কাতাদাহ্ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু একবার তার কাছ থেকে ঋণ গ্রহণকারী একজনকে খোঁজ করেন। সে তার থেকে লুকিয়ে ছিল। পরে তিনি তাকে পেয়ে যান। সে বললঃ আমি অভাবগ্রস্ত। তিনি বললেনঃ আল্লাহর শপথ! সে বললঃ আল্লাহর শপথ। তিনি বললেনঃ তাহলে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: “যে ব্যক্তি এটা চায় যে, আল্লাহ তাকে কিয়ামত দিবসের দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি দিক সে যেন ঋণগ্রস্ত অক্ষম লোকের সহজ ব্যবস্থা করে কিংবা ঋণ মওকুফ করে দেয়”।
02
Explanation
আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তার থেকে ঋণগ্রহণকারী এক ব্যক্তি যে তার থেকে আত্মগোপনে থাকতেন খোঁজ করতে ছিলেন এবং তিনি তাকে পেয়ে যান। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি বলল: আমি অভাবগ্রস্ত, আপনার ঋণ পরিশোধ করার মত সম্পদ আমার কাছে নেই।
আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তার কাছে আল্লাহর নামে এই মর্মে কসম তলব করলেন যে, তার নিকট সম্পদ নেই?
সে আল্লাহর নামে কসম করল যে, তিনি যা বলছেন তাতে তিনি সত্যবাদী।
আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন:
আল্লাহ কিয়ামতের দিনের আতঙ্ক, মুসিবত ও বিভীষিকা থেকে সুরক্ষা দিবেন বিষয়টি যাকে প্রফুল্ল ও আনন্দিত করে, তার উচিত অভাবগ্রস্তকে সুযোগ দেওয়া, যেমন তাকে অবকাশ দেওয়া ও তার ঋণের তাগাদা বিলম্বিত করা, অথবা কিছু ঋণ হ্রাস করা অথবা পুরো ঋণ ক্ষমা করা।
আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তার কাছে আল্লাহর নামে এই মর্মে কসম তলব করলেন যে, তার নিকট সম্পদ নেই?
সে আল্লাহর নামে কসম করল যে, তিনি যা বলছেন তাতে তিনি সত্যবাদী।
আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন:
আল্লাহ কিয়ামতের দিনের আতঙ্ক, মুসিবত ও বিভীষিকা থেকে সুরক্ষা দিবেন বিষয়টি যাকে প্রফুল্ল ও আনন্দিত করে, তার উচিত অভাবগ্রস্তকে সুযোগ দেওয়া, যেমন তাকে অবকাশ দেওয়া ও তার ঋণের তাগাদা বিলম্বিত করা, অথবা কিছু ঋণ হ্রাস করা অথবা পুরো ঋণ ক্ষমা করা।
03
Benefits
অভাবীকে স্বচ্ছলতা পর্যন্ত সুযোগ দান করা মুস্তাহাব, অথবা তার থেকে পুরো ঋণ কিংবা আংশিক ঋণ হ্রাস করা।
যে কোনো মুমিন থেকে দুনিয়ার মুসিবত দূর করলেন আল্লাহ তার থেকে কিয়ামতের দিনের মুসিবত দূর করবেন। কর্মের মতোই ফল হয়।
নীতি হল: ফরযগুলো নফলের চেয়ে উত্তম, তবে কিছু সময় নফল ফরযকে ছাড়িয়ে যায়, বস্তুত অভাবীর থেকে ঋণ মওকুফ করা নফল, তার উপর সবর করা, অপেক্ষা করা এবং তাগাদা না দেওয়া এটি হল ফরয, এখানে ফরযের চেয়ে নফল উত্তম।
হাদীসটি যে অভাবী তার পক্ষের, সে অপারগ, তবে যার নিকট সম্পদ রয়েছে তার ঢিলেমি করা প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা এসেছে যে, তিনি বলেছেন, "مَطْلُ الغني ظُلْم". “ধনী ব্যক্তির ঢিলেমি করা জুলম”।
যে কোনো মুমিন থেকে দুনিয়ার মুসিবত দূর করলেন আল্লাহ তার থেকে কিয়ামতের দিনের মুসিবত দূর করবেন। কর্মের মতোই ফল হয়।
নীতি হল: ফরযগুলো নফলের চেয়ে উত্তম, তবে কিছু সময় নফল ফরযকে ছাড়িয়ে যায়, বস্তুত অভাবীর থেকে ঋণ মওকুফ করা নফল, তার উপর সবর করা, অপেক্ষা করা এবং তাগাদা না দেওয়া এটি হল ফরয, এখানে ফরযের চেয়ে নফল উত্তম।
হাদীসটি যে অভাবী তার পক্ষের, সে অপারগ, তবে যার নিকট সম্পদ রয়েছে তার ঢিলেমি করা প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা এসেছে যে, তিনি বলেছেন, "مَطْلُ الغني ظُلْم". “ধনী ব্যক্তির ঢিলেমি করা জুলম”।
Attribution
[ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন]
Categories
Share
Share hadeeth
Sharing options · 0 Total shares

