“যখন কেউ এমন কোন স্বপ্ন দেখে যা সে পছন্দ করে, তবে মনে করবে যে তা আল্লাহর তরফ থেকে হয়েছে। তখন যেন সে এজন্য আল্লাহর শোকর আদায় করে এবং তা বর্ণনা করে। আর যখন এর বিপরীত কোন স্বপ্ন দেখে, যা সে পছন্দ করে না, মনে করবে তা শয়তানের তরফ থেকে হয়েছে। তখন যেন সে এর অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় চায় এবং তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করবে না”।
Choose an available translation of this Hadeeth
Hadeeth text
আবূ সা’ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, “যখন কেউ এমন কোন স্বপ্ন দেখে যা সে পছন্দ করে, তবে মনে করবে যে তা আল্লাহর তরফ থেকে হয়েছে। তখন যেন সে এজন্য আল্লাহর শোকর আদায় করে এবং তা বর্ণনা করে। আর যখন এর বিপরীত কোন স্বপ্ন দেখে, যা সে পছন্দ করে না, মনে করবে তা শয়তানের তরফ থেকে হয়েছে। তখন যেন সে এর অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় চায় এবং তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করবে না”।
Explanation
Benefits
ভালো স্বপ্নের অধ্যায়ে যা উল্লেখ করা হয়েছে তার সারাংশ হলো তিনটি বিষয়: তার উপর আল্লাহর প্রশংসা করা, তাতে সু সংবাদ গ্রহণ করা এবং যে তাকে অপছন্দ করে তাকে বাদ দিয়ে যে মহব্বত করে তার নিকট তা বয়ান করা।
খারাপ স্বপ্নের অধ্যায়ে যা উল্লেখ করা হয়েছে তার সারাংশ হলো পাঁচটি জিনিস: তার অনিষ্ট ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাওয়া, যখন ভয়ে ঘুম থেকে উঠবে তার বাম পাশে তিনবার থুতু দিবে এবং কারো নিকট তা বয়ান করবে না। আবার যখন ঘুমানোর ইচ্ছে করবে তখন যে পাশে ছিল তার থেকে ঘুরে যাবে; সেটি তাকে কোনো ক্ষতি করবে না।
ইবনু হাজার বলেন, এতে হিকমত হল পছন্দ নয় এমন কাউকে ভালো স্বপ্ন বললে সে তাকে গোস্বা অথবা হিংসার বশে এমন ব্যাখ্যা দিতে পারে যা তার পছন্দ নয় এবং সেটি তার বর্ণনার ওপর ঘটতে পারে অথবা তার থেকে নিজের নগদ দুঃখ ও পেরেশানি টেনে আনবে। কাজেই যাকে পছন্দ হবে না তাকে এড়িয়ে যেতে বলেছেন।
নিয়ামত হাসিল হলে ও নতুন অনুগ্রহ প্রাপ্ত হলে প্রশংসা করার বিধান এবং এটি তার স্থায়ী হওয়ার উপায়।
Attribution
Categories
Share hadeeth
Sharing options · 0 Total shares

