পবিত্র কুরআন

নিঃসন্দেহে আল-কুরআন হচ্ছে সর্বোত্তম বাণী। কেননা ইহা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার বাণী। তিঁনি ইহাকে (কুরআনকে) সর্বোত্তম ফেরেশতা তথা জিবরাইল (আঃ) যোগে সর্বোত্তম রাসূল তথা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অন্তঃকরণে, সর্বোত্তম স্থান তথা মাক্কাতুল মুকাররামায়, সর্বোত্তম মাসে তথা রমযান মাসে, সর্বোত্তম রজনীতে তথা লাইলাতুল কদরে, সর্বোৎকৃষ্ট ভাষা তথা আরবী ভাষায় নাযিল করেছেন। আল্লাহ তায়া’লা সমগ্র মানব ও জ্বীন জাতীকে এই কুরআনের সমতুল্য একটি সূরা নিয়ে আসার চ্যালেঞ্জ করেছিলেন কিন্তু তারা তা পারেনি। স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এর (কুরআনের) সংরক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ফলে কোন ব্যক্তি আবহমানকাল থেকে কুরআনের মাঝে একটি মাত্র হরফ সংযোজন কিংবা বিয়োজন করতে সক্ষম হয়নি৷ আর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এ কুরআনের ১১৪ টি সূরা তথা সূরা ফাতিহা থেকে সূরা নাস পর্যন্ত প্রত্যেকটি সুরা পাঠ করাকে তার সান্নিধ্য হাসিলকারী ইবাদত হিসেবে গণ্য করেছেন। যেমনভাবে তিঁনি একটি হরফ পাঠ করার বিনিময়ে দশ নেকী দান করে থাকেন।